হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি এবং থেকে সংগ্রহ করুন।

www.darsemansoor.org এখন www.darsemansoor.comপরিবর্তিত হয়েছে।

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর বয়ান এবং সমস্ত কিতাব, প্রবন্ধ, মালফুযাত একসাথে ১টি অ্যাপে পেতে ইসলামী যিন্দেগী অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করুন। Play Storeএবং  App Store

তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত

বুযুর্গানে দীন তাঁদের অভিজ্ঞতার আলোকে বলেছেন, তিনটি এমন সুন্নাত আছে, যেগুলোর উপর আমল করতে পারলে অন্তরে নূর পয়দা হয় এবং এর দ্বারা অন্য সকল সুন্নাতের উপর আমল করা সহজ হয়ে যায় এবং অন্তরে সুন্নাতের প্রতি আমল করার স্পৃহা জাগ্রত হয়।

১. সহীহ-শুদ্ধ করে আগে আগে সালাম করা ও সর্বত্র সালামের ব্যাপক প্রসার করা। (মুসলিম শরীফ, হাঃ নং ৫৪; তিরমিযী, হাঃ নং ২৬৯৯)

বি.দ্র. السلام  (আস্‌-সালামু) এর শুরুর হামযা এবং মীমের পেশ স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে হবে। সালামের উত্তর শুনিয়ে দেয়া ওয়াজিব। (আলমগিরী, ৫ : ৩২৬)

২. প্রত্যেক ভাল কাজে ও ভাল স্থানে ডান দিককে প্রাধান্য দেয়া। যথা : মসজিদে ও ঘরে প্রবেশকালে ডান পা আগে রাখা। পোশাক পরিধানের সময় ডান হাত ও ডান পা আগে প্রবেশ করানো এবং প্রত্যেক নিম্নমানের কাজে এবং নিম্নমানের স্থানে বাম দিককে প্রাধান্য দেয়া। যথা : মসজিদ বা ঘর থেকে বের হওয়ার সময় বাম পা আগে রাখা, বাম হাতে নাক পরিষ্কার করা, পোশাক থেকে বাম হাত বা বাম পা আগে বের করা। (বুখারী শরীফ, হাঃ নং ১৬৮/ মুসনাদে আহমাদ, হাঃ নং ২৫০৪৩) মুস্তাদরাক, হাঃ নং ৭৯১/ মুসলিম শরীফ, হাঃ নং ২০৯৭)

৩. বেশি বেশি আল্লাহ তা‘আলার যিকির করা। (সূরায়ে আহযাব, ৪১/ মুস্তাদরাক, হাঃ নং ১৮৩৯)

ক. উপরে ওঠার সময় আল্লাহু আকবার, নীচে নামার সময় সুবহানাল্লাহ, সমতল ভূমিতে চলার সময় লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ্‌ পড়তে থাকা। (বুখারী শরীফ, হাঃ নং ২৯৯৩/ তিরমিযী, হাঃ নং ৩৩৮৩)

খ. প্রতিদিন কুরআনে কারীম থেকে কিছু পরিমাণ তিলাওয়াত করা বা অন্যের তিলাওয়াত শ্রবণ করা। (মুসলিম, হাঃ নং ৭৯১/ বুখারী শরীফ, হাঃ নং ৫০৩৩)

গ. পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর সুন্নাত থাকলে সুন্নাতের পরে নতুবা ফরযের পরে তিনবার ইস্তিগফার, একবার আয়াতুল কুরসী, একবার সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস এবং তাসবীহে ফাতেমী অর্থাৎ ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ্‌, ৩৩ বার আল-হামদুলিল্লাহ এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়া। (মুসলিম শরীফ, হাঃ নং ৫৯১/ ইমাম নাসায়ীর সুনানে কুবরা, হাঃ নং ৯৮৪৮, তাবারানী কাবীর, হাঃ নং ৭৫৩২/ নাসায়ী শরীফ, হাঃ নং ১৩৩৬/ আবু দাউদ, হাঃ নং ১৫২৩/ মুসলিম শরীফ, হাঃ নং ৫৯৬)

ঘ. সকাল-বিকাল তিন তাসবীহ আদায় করা অর্থাৎ ১০০ বার কালিমায়ে সুওম-সুবহানাল্লাহি ওয়াল্‌ হামদুলিল্লাহি ওয়া লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ১০০ বার ইস্তিগফার ও ১০০ বার কোন সহীহ দরূদ শরীফ পড়া।(মুসলিম শরীফ, হাঃ নং ২৬৯২, ২৬৯৫/ মুসলিম, হাঃ নং ২৭০২/ ইতহাফ, ৫ : ২৭৫)

ঙ. প্রত্যেক কাজে মাসনূন দু‘আ পড়া। (মুসলিম, হাঃ ৩৭৩/ তিরমিযী শরীফ, হাঃ নং ৩৩৮৪)