ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরুত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি এবং থেকে সংগ্রহ করুন।

www.darsemansoor.org এখন www.darsemansoor.comপরিবর্তিত হয়েছে।

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর বয়ান এবং সমস্ত কিতাব, প্রবন্ধ, মালফুযাত একসাথে ১টি অ্যাপে পেতে ইসলামী যিন্দেগী অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করুন। Play Storeএবং  App Store

যুগশ্রেষ্ঠ মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও ফকীহ উলামায়ে কিরাম সকলেই মাযহাবের অনুসারী ছিলেন বস্তুত:

এটাই কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার নিরাপদ পথ ও পন্থা

কুরআন-সুন্নাহ ও তা থেকে আহরিত সকল বিধি-বিধান মেনে চলার মধ্যেই মুসলমানদের দো’জাহানের শান্তি ও কামিয়াবী নিহিত। তবে কুরআন-সুন্নাহর কিছু বিধান সাধারণ শিক্ষিত ব্যক্তিও বুঝতে সক্ষম; আর কিছু বিধান সংক্ষিপ্ততা ও সূক্ষ্মতার কারণে সবাই বুঝতে সক্ষম নয়। আবার কিছু বিধান বাহ্যিকভাবে বিরোধপূর্ণ। সংক্ষিপ্ত, সূক্ষ্ম ও বাহ্য বিরোধপূর্ণ বিধানসমূহের ক্ষেত্রে আমাদের সামনে দু’টি পথ খোলা আছে। হয়তো নিজেদের জ্ঞান-বুদ্ধি ও বুঝ মত সমাধান বের করে সে অনুযায়ী আমল করব, অথবা উম্মাহর স্বীকৃত সর্বোত্তম যুগের ইমামগণের দেয়া সমাধান মেনে চলব। ইনসাফ ও বাস্তবতার বিচারে প্রথমটি আশঙ্কাপূর্ণ ও ভয়ানক, আর দ্বিতীয়টি সতর্কতাপূর্ণ ও নিরাপদ। এ জন্যই গোটা মুসলিম উম্মাহ হাজার বছর ধরে সর্বোত্তম যুগের সাহাবায়ে কিরাম ও তাবেঈদের ব্যাখ্যার আলোকে কুরআন-সুন্নাহ অনুসরণ করে আসছে। তাদের ব্যাখ্যা ও মতামতগুলোই আল্লাহ তা‘আলার ফয়সালায় পরবর্তীকালে চার মাযহাবের আকৃতিতে প্রকাশ পেয়েছে। যেগুলো ‘হানাফী, মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাব’ নামে পরিচিত।

সুতরাং মাযহাব কোনো নতুন জিনিস নয়। খাইরুল কুরূনের পর থেকে সকল মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও ফকীহ কোনো না কোনো ইমামের ব্যাখ্যার আলোকে কুরআন-সুন্নাহ মেনে আসছেন। তাঁরা সবাই কোনো না কোনো মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। বড় বড় কলেবরে রচিত যুগের ক্রমধারা অনুযায়ী এ যাবতকালের সকল মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও ফকীহগণের মাযহাব ভিত্তিক জীবনীগুলোই এর প্রমাণ। এখানে মৃত্যু-সনসহ শাস্ত্রজ্ঞ উলামায়ে কিরামের মাযহাব ভিত্তিক একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দেয়া হলো।

কুতুবে সিত্তাহ-এর লেখকগণ যে মাযহাবের অনুসারী ছিলেন

কিতাব লেখক মৃত্যু মাযহাব
১. সহীহ বুখারী ইমাম বুখারী ২৫৬ হি. শাফেয়ী
২. সহীহ মুসলিম ইমাম মুসলিম ২৬১ হি. শাফেয়ী
৩. সুনানে আবূ দাউদ ইমাম আবূ দাউদ ২৭৫ হি. হাম্বলী
৪. সুনানে নাসায়ী ইমাম নাসায়ী ৩০৩ হি. হাম্বলী
৫. জামে’ তিরমিযী ইমাম তিরমিযী ২৭৯ হি. শাফেয়ী
৬. সুনানে ইবনে মাজাহ ইমাম ইবনে মাজাহ ২৭৫ হি. শাফেয়ী

হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. আহকামুল কুরআন আবূ বকর আহমদ বিন আলী আল জাস্সাস ৩৭০ হি.
২. তাফসীরে সমরকন্দী নসর ইবনে মুহাম্মাদ ৩৭৩ হি.
৩. তাফসীরে নাসাফী আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ৭০১ হি.
৪. তাফসীরে আবিস সাঊদ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুস্তফা ৯৫২ হি.
৫. তাফসীরে মাযহারী কাজী সানাউল্লাহ পানিপথী ১২২৫ হি.
৬. রুহুল বয়ান ইসমাঈল হক্কী ১১২৭ হি.
৭. রুহুল মাআনী শিহাবুদ্দীন মাহমূদ আলূসী ১২০৭ হি.
৮. বয়ানুল কুরআন আশরাফ আলী থানবী ১৩৬২ হি.
৯. মাআরিফুল কুরআন মুফতী মুহাম্মাদ শফী ১৩৯৬ হি.
১০. মাআরিফুল কুরআন মাওলানা ইদরীস কান্ধলভী ১৩৯৪ হি.

মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. আহকামুল কুরআন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আন্দালূসী ৫৪৩ হি.
২. তাফসীরে ইবনে আতিয়্যাহ আব্দুল হক ইবনে গালেব ৫৪৬ হি.
৩. আল জাওয়াহিরুল হিসান আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আস সাআলাবী ৮৭৬ হি.
৪. তাফসীরে কুরতুবী মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ আল কুরতুবী ৬৭১ হি.
৫. আল বাহরুল মুহীত্ব মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আন্দালূসী ৭৪৫ হি.
৬. আদ দুররুল মাসনুন আবুল আব্বাস শিহাবুদ্দীন ৭৫৪ হি.
৭. তাফসীরে ইবনে উরফাহ ইবনু উরফাহ ৮০৩ হি.

শাফেয়ী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. তাফসীরে ত্ববারী আলী ইবনে মুহাম্মাদ আত-ত্ববারী ৩১০ হি.
২. তাফসীরে বাগাবী হুসাইন ইবনে মাসঊদ আল বাগাবী ৫১৬ হি.
৩. তাফসীরে কাবীর মুহাম্মাদ ইবনে উমর আর রাযী ৬০৬ হি.
৪. তাফসীরে বাইযাবী আব্দুল্লাহ ইবনে বাইযাবী ৬৮৫ হি.
৫. তাফসীরে খাযেন আব্দুল্লাহ ইবনে খাযেন ৭৪১ হি.
৬. তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসমাঈল ইবনে আমর দিমাশকী ৭৭৪ হি.
৭. তাফসীরে জালালাইন জালালুদ্দীন মুহাল্লী ৮৬৪ হি.
৮. তাফসীরে জালালাইন জালালুদ্দীন সুয়ূতী ৯১১ হি.
৯. তাফসীরে খতীব মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ শিরবীনী ৯৭৭ হি.

হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. তাফসীরে লুবাব ইবনে আদেল আবী হাফস ৮৮০ হি.
২. তাহকীকু তাফসীরিল ফাতেহা ইবনে রজব হাম্বলী ৭৯৫ হি.
৩. আত তাফসীরুল কায়্যিম ইবনুল কায়্যিম আল জাওযিয়া ৭৫১ হি.

হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. কিতাবুল আসার ইমাম আবূ ইউসুফ রহ. ১৮২ হি.
২. মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মাদ রহ. ১৮৯ হি.
৩. ত্বহাবী শরীফ ইমাম ত্বহাবী ৩১১ হি.
৪. কিতাবুল জিহাদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক ১৮১ হি.
৫. মুসনাদে আবূ ইয়া’লা আবূ ইয়া’লা আল মূসিলী ৩০৭ হি.
৬. ইকমালু তাহযীবিল কামাল আলাউদ্দীন মুগলতায়ী ৭৬২ হি.
৭. আল জাওহারুননাকী আলাউদ্দীন ইবনুত তুরকুমানী ৭৪৫ হি.
৮. উমদাতুল ক্বারী বদরুদ্দীন আল আইনী ৮৫৫ হি.
৯. মিরক্বাত মুল্লা আলী কারী ১০১৪ হি.
১০. তারীখে ইবনে মাঈন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন ২৩৩ হি.
১১. নাসবুর রায়া ইউসুফ যাইলাঈ ৭৬২ হি.

মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. আত তামহীদ ইবনে আব্দিল বার মালেকী ৪৬৩ হি.
২. আরিযাতুল আহওয়াযি আবূ বকর ইবনুল আরাবী ৫৪৩ হি.
৩. শরহুয যুরকানী আবূ আব্দিল্লাহ আয যুরকানী ১১২২ হি.

শাফেয়ী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. সহীহ ইবনে হিব্বান ইবনে হিব্বান ৩৫৪ হি.
২. সহীহ ইবনে খুযাইমা ইবনে খুযাইমা ৩১১ হি.
৩. মুসনাদে ত্বয়ালিসী আবূ দাউদ আত ত্বয়ালিসী ২০৪ হি.
৪. সুনানে দারাকুতনী আলী ইবনে উমর আদ দারাকুতনী ৩৮৫ হি.
৫. সুনানে বাএটাকী আবূ বকর আল বাএটাকী ৪৫৮ হি.
৬. মুসতাদরাকে হাকেম হাকেম আবূ আব্দিল্লাহ ৪০৫ হি.
৭. আল কামেল ফিত তারীখ ইবনুল আসীর ৬০৬ হি.
৮. রিয়াযুস সালিহীন মুহিউদ্দীন আন নববী ৬৭৬ হি.
৯. তাহযীবুল কামাল আবুল হাজ্জাজ আল মিযযী ৭৪২ হি.
১০. তাযকিরাতুল হুফফায শামসুদ্দীন আয যাহাবী ৭৪৮ হি.
১১. ফাতহুল বারী হাফেয ইবনে হাজার ৮৫২ হি.
১২. ফাতহুল মুগীছ হাফেয শাসুদ্দীন আস সাখাবী ৯০২ হি.
১৩. তারীখে দিমাশক ইবনে আসাকির ৫৭১ হি.
১৪. তারীখে বাগদাদ আবূ বকর আল বাগদাদী (খতীব) ৪৬৩ হি.

হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. সুনানে দারেমী আবূ আব্দির রহমান আদ দারেমী ২৫৫ হি.
২. শরহু ইলালিত তিরমিযী ইবনু রজব হাম্বলী ৭৯৫ হি.

হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. আল মাবসূত আবূ বকর আস সারাখসী ৪৯০ হি.
২. মুখতাসারুল কুদূরী আবুল হাসান কুদূরী ৪২৮ হি.
৩. ফাতহুল ক্বাদীর কামাল ইবনুল হুমাম ৮৬১ হি.
৪. আল বাহরুর রাইক্ব ইবনে নুজাইম ৯৭০ হি.
৫. বাদাইউস্ সানায়ে আলাউদ্দীন আল কাসানী ৫৮৭ হি.
৬. ফাতাওয়ায়ে শামী ইবনে আবেদীন ১২৫২ হি.
৭. মাজমাউল আনহুর আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ শাইখী যাদাহ ১০৭৮ হি.
৮. আদ্ দুররুল মুখতার আলাউদ্দীন আল হাসকাফী ১০৮৮ হি.

মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. আল ইহকাম শিহাবুদ্দীন আল কারাফী ৬৮৪ হি.
২. বিদায়াতুল মুজতাহিদ ইবনে রুশদ ৫৯৫ হি.
৩. মাওয়াহিবুল জালীল মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আর রুআইনী ৯৫৪ হি.
৪. মুখতাসারুল আলামাহ খলীল ইবনে ইসহাক আল জুনদী ৭৬৭ হি.
৫. আল মাদখাল ইবনুল হাজ্জ ৭৩৭ হি.
৬. হাশিয়াতুদ দুসূকী মুহাম্মাদ আদ দুসূকী ১২৩০ হি.

শাফেয়ী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. আত্ তাবসিরাহ আবূ ইসহাক আশ শিরাজী ৪৭৬ হি.
২. আল হাবিউল কাবীর আবুল হাসান আল মাওয়ারদী ৪৫০ হি.
৩. আল বদরুল মুনীর ইবনুল মুলাক্কিন ৮০৪ হি.
৪. আল ওয়াসীত ফিল মাযহাব ইমাম গাজালী ৫০৫ হি.
৫. আল বুরহান ফী উসূলিল ফিকহ ইমামুল হারামাইন আব্দুল মালেক ৪৭৮ হি.
৬. নিহায়াতুল মুহতাজ শামসুদ্দীন আর রমলী ১০০৪ হি.

হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহ

কিতাব লেখক মৃত্যু
১. আল মুগনী ইবনে কুদামা ৬২০ হি.
২. আল আদাবুশ শারইয়্যাহ ইবনে মুফলিহ ৭৬৩ হি.
৩. আল-উদ্দাহ শারহুল উমদাহ আব্দুর রহমান বিন ইবরাহীম আল মাকদেসী ৬২৪ হি.
৪. মানারুস সাবীল ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ১৩৫৩ হি.
৫. তাবীলু মুখতালিফুল হাদীস ইবনে কুতাইবা ১০৩৩ হি.
৬. মিনহাজুস সুন্নাহ ইবনে তাইমিয়াহ ৭২৮ হি.

মুসলিম উম্মাহর এ সকল প্রসিদ্ধ মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও ফকীহগণের মাধ্যমেই আমরা লাভ করেছি তাফসীর, উসূলে তাফসীর, হাদীস, উসূলে হাদীস, ফিকহ, উসূলে ফিকহসহ সকল প্রকার ইলমের ভান্ডার। তাদের কাছে উম্মত সর্বোতভাবে ঋণী এবং যাদের ইলম থেকে এক মুহূর্তের জন্য বিমুখ হওয়ার কল্পনা করাও উম্মতের জন্য অসম্ভব। বলা বাহুল্য, তাঁরা সকলেই ছিলেন কোনো না কোনো মাযহাবের অনুসারী। এখন এ সকল ব্যক্তিবর্গ যদি শুধুমাত্র মাযহাব মানার কারণে কিছু লা-মাযহাবী বন্ধুর দাবি অনুযায়ী মুশরিক হয়ে থাকেন; তাহলে তারা কীভাবে এ সকল মুশরিকদের (নাউযুবিল্লাহ) কিতাব থেকে তাফসীর, হাদীস ও ফিকহসহ অন্যান্য ইলম গ্রহণ করছেন? আসলে ‘মাযহাব মানলে মুশরিক হয়ে যায়’ এ কথার কোনো ভিত্তি নেই। বরং খাইরুল কুরূন থেকে এ যাবতকাল মুসলিম উম্মাহ কোনো না কোনো মাযহাবের অনুসরণ করে আসছে।

অতএব যারা কয়েকটি হাদীসের অনুবাদ পড়েই মুজতাহিদ-ইমাম বনে যাচ্ছেন, তাদেরকে তাদেরই একজন ইমাম মাওলানা মুহাম্মাদ হুসাইন বাটালবীর বিশ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া ভাল মনে হচ্ছে। তিনি তার ‘ইশাআতুস সুন্নাহ’তে বলেছেন, ‘আমার বিশ বছরের অভিজ্ঞতা হলো যে ব্যক্তি ইলম ছাড়া স্বাধীন মুজতাহিদ বনে যায়, অর্থাৎ মাযহাব ত্যাগ করে; শেষ পর্যন্ত সে দীন থেকেই বের হয়ে যায়।’

আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে সিরাতে মুস্তাকীমের উপর চলার ও অটল থাকার তাউফীক দান করুন। আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন।