(১৯ শে অক্টোবর ২০১৮ ঈসায়ী) হযরতওয়ালা দা.বা. জুম‘আর নামায পড়াতে খিলগাও বাজার জামে মসজিদে আসবেন  না।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরুত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি এবং থেকে সংগ্রহ করুন।

www.darsemansoor.org এখন www.darsemansoor.comপরিবর্তিত হয়েছে।

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর বয়ান এবং সমস্ত কিতাব, প্রবন্ধ, মালফুযাত একসাথে ১টি অ্যাপে পেতে ইসলামী যিন্দেগী অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করুন। Play Storeএবং  App Store
 

বালা মুসীবত ও বিপদ আপদে মানুষ ঈমান সম্পর্কীয় পর্যাপ্ত ইলম ও ইয়াকীন না থাকায় অনেক সময় ধৈর্যহীন হয়ে এমন কথা বলে ফেলে বা এমন কাজ করে বসে, যাতে তার ঈমান বিনষ্ট হয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় এবং পিছের যিন্দেগীর সকল ইবাদত বন্দেগী বরবাদ হয়ে যায় । এ সমস্যা থেকে বাঁচার লক্ষ্যে বক্ষমান পুস্তিকায় বিপদ আপদ ও বালা মুসীবতের ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসে যে সকল সান্তনাবাণী ও পুরষ্কারের ঘোষণা করা হয়েছে তার থেকে সামান্য কিছু বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। যাতে করে বিপদে সাত্ত্বনা লাভ ও ধৈর্য ধারণ সহজ হয় এবং দুঃখ কষ্টের ভেতরে আল্লাহ তা’আলা যে অসংখ্য সাওয়াব ও ফযীলত রেখেছেন, তা অনুধাবন করে সেটাকে যেন আমরা আল্লাহর বিশেষ এক ধরনের নিয়ামত মনে করতে পারি ।

আল্লাহ তা’আলা সমগ্র বিশ্বের মালিক; আমাদের জান-মাল, বিষয়-সম্পদ, পিতা-মাতা, স্ত্রী-সন্তান সব কিছুই আল্লাহ তা’আলার মালিকানা । আমরা যে মালিকানা দাবী করি তা ঠিক নয় । কারণ, আমাদের অস্থায়ী মালিকানাটুকুও জান্নাতের বিনিময়ে আমরা আল্লাহর নিকট বিক্রি করে দিয়েছি । আল্লাহ তা‘আলা তাঁর মালিকানার মধ্যে আমাদের মঙ্গলের জন্য যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার রাখেন; তাঁর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আপত্তি করার বা প্রশ্ন তোলার কেউ কোন প্রকার অধিকার রাখে না । আল্লাহ তা’আলার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে মনক্ষুন্ন হওয়া বা অভিযোগ করা কুফরি কাজ, এতে ঈমান নষ্ট হয়ে যেতে পারে । বান্দার দায়িত্ব এতটুকু যে, আল্লাহ তা’আলার সিদ্ধান্ত তার মনের অনুকূলে হলে সে আল্লাহর হামদ ও শোকর আদায় করবে । আর যদি আল্লাহর কোন সিদ্ধান্ত তার মনের বিরুদ্ধে হয় তাহলে সে আল্লাহর হামদ ও সবর করবে । সারকথা, মালিকানা যার সিদ্ধান্ত তার; এখানে নাক গলানোর কার কি অধিকার আছে?

লেখা বড় করুন লেখা ছোট করুন