(১৯ শে অক্টোবর ২০১৮ ঈসায়ী) হযরতওয়ালা দা.বা. জুম‘আর নামায পড়াতে খিলগাও বাজার জামে মসজিদে আসবেন  না।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরুত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার পেতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি এবং থেকে সংগ্রহ করুন।

www.darsemansoor.org এখন www.darsemansoor.comপরিবর্তিত হয়েছে।

হযরতওয়ালা দা.বা. কর্তৃক সংকলিত চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর বয়ান এবং সমস্ত কিতাব, প্রবন্ধ, মালফুযাত একসাথে ১টি অ্যাপে পেতে ইসলামী যিন্দেগী অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করুন। Play Storeএবং  App Store
 

নামাযের পর বা ফরজ নামাযের জামা‘আতের পর কোন প্রকার বাড়াবাড়ি ব্যতিরেকে আমাদের দেশে যে মুনাজাত প্রচলিত আছে, তা মুস্তাহাব আমল; বিদ‘আত নয়। কারণ-বিদ‘আত বলা হয় ঐ আমলকে, শরী‘আতে যার কোন ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। অথচ উক্ত “মুনাজাত” বহু নির্ভরযোগ্য রিওয়ায়াত দ্বারা সুপ্রমাণিত। এ ব্যাপারে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আমল ও নির্দেশ বিদ্যমান। তাই যারা মুনাজাতকে একেবারেই অস্বীকার করে, তারাও ভুলের মধ্যে রয়েছে।আবার যারা ইমাম-মুক্তাদীর সম্মিলিত মুনাজাতকে সর্বাবস্থায় বিদ‘আত বলে, তাদের দাবীও ভিত্তিহীন এবং মুনাজাতকে যারা জরুরী মনে করে, এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে এবং কেউ না করলে তাকে কটাক্ষ করে, গালী দেয় তারাও ভুলের মধ্যে আছে।

অবতরণিকা : নামাযের পরের মুনাজাতকে সর্ব প্রথম যিনি ভিত্তিহীন ও বিদ‘আত বলে দাবী তুলেছিলেন, তিনি হলেন আল্লামা ইবনে তাইমিয়্যা (রহঃ)। পরের তদীয় ছাত্র আল্লামা হাফিয ইবনুল কাইয়িম (রহঃ) তাঁর অনুসরণ করেন। আল্লামা ইবনে তাইমিয়া ও হাফিয ইবনুল কাইয়িম দাবী করেন যে, নামাযের পর মুনাজাত করার কোন প্রমাণ কুরআন ও হাদীসে নেই। যে সব রিওয়ায়াতে নামাযের পর দু‘আ করার কথা আছে, এর অর্থ-হচ্ছে-সালাম ফিরানোর পূর্বের দু‘আয়ে মাছুরা।তাদের এ দাবীর খন্ডনে বুখারী শরীফের সুপ্রসিদ্ধ ব্যাখ্যাদাতা, জগৎবরেণ্য মুহাদ্দিস, হাফিয ইবনে হাযার আসকালনী (রহঃ) বলেন, ‘ইবনুল কাইয়িম প্রমুখগণের দাবী সঠিক নয়। কারণ-বহু সহীহ হাদীসে সালামের পর দু‘আ করার স্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়। সুতরাং ঐসব হাদীসে যে নামাযের শেষে দু‘আ করার কথা আছে, তার অর্থ সালাম ফিরানোর পরে দু‘আ ও মুনাজাত।

লেখা বড় করুন লেখা ছোট করুন